জাতির পিতার ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয়..

//জাতির পিতার ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোকদিবস জিটিসিএল কর্তৃক যথাযথ মর্যাদায় এবং ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালন।

জাতির পিতার ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোকদিবস জিটিসিএল কর্তৃক যথাযথ মর্যাদায় এবং ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালন।

আজ শোকাবহ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী। ১৯৭৫ সালে আজকের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, বাঙালি জাতির মহান নেতা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও তার সহধর্মিনী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও নিকটাত্মীয়দেরকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়েছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে। ১৯৭১ সালের ৭মার্চের ভাষণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বজ্রকন্ঠে ঘোষণা করেছিলেন “ এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম” ।
জাতির পিতার ঐদিনের ভাষণ ১৯৭১ সালে মুক্তিকামী বাঙ্গালী জাতিকেই শুধু অনুপ্রাণিত করেনি বরং এ ভাষণ যুগে যুগে বিশ্বের সকল অবহেলিত,বঞ্চিত-স্বাধীনতাকামী জাতি গোষ্ঠীকে অনুপ্রেরণা যোগাতে থাকবে।
বঙ্গবন্ধু এদেশের মানুষকে মুক্তির যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ক্ষুধা ও দারিদ্রকে জয় করে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ আজ একটি উন্নয়নশীল মর্যাদাবান জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।
সারা বিশ্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। বাঙ্গালী জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে প্রতিবছরের ন্যায় আজও যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে বঙ্গবন্ধুর ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন করছে।
জাতির পিতার ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোকদিবস জিটিসিএল কর্তৃকও যথাযথ মর্যাদায় এবং ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালন করা হয়। এ উপলক্ষে সূর্যোদয় হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোম্পানির প্রধান কার্যালয় ও আঞ্চলিক কার্যালয় সমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং ড্রপডাউন ব্যানার ও সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যানার-ফেস্টুন ব্যবহার করা হয়।
ভোর ৬:০০ টায় প্রধান কার্যালয়ে পবিত্র কোরআন খতমের আয়োজন করা হয়। সকাল ৮:০০ ঘটিকায় জিটিসিএল এর প্রধান কার্যালয়ে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ম্যুরালে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মাননীয় সিনিয়র সচিব মহোদয়ের নেতৃত্বে জ্বাখসবি এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিপিসির মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয়ের নেতৃত্বে বিপিসি ও এর আওতাধীন কোম্পানিসমূহের কর্মকর্তাবৃন্দ, পেট্রোবাংলার মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয়ের নেতৃত্বে পেট্রোবাংলার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পেট্রোবাংলার আওতাধীন ঢাকাস্থ কোম্পানীসমূহ (টিজিটিডিসিএল, বাপেক্স ও আরপিজিসিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহোদয়গণের নেতৃত্বে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং হাইড্রোকার্বন ইউনিট, বিএমডি, জিএসবি ও বিস্ফোরক অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি পালন করে সীমিত পরিসরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে জিটিসিএল প্রধান কার্যালয়ে ভার্চুয়াল মোনাজাতে ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তাঁর পরিবারের সকল শহীদ সদস্যদের আত্মার মাগফেরাতের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করা হয়। এছাড়া, বর্তমান রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারবর্গের জন্য, মুক্তিযুদ্ধে নিহত সকল শহীদদের জন্য এবং করোনা মহামারীসহ জটিল ও কঠিন রোগব্যাধি হতে দেশ ও জাতির মুক্তির জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

2021-08-15T13:29:43+06:00 August 15th, 2021|